বিসিএস (BCS) প্রস্তুতি বাংলা ২য় পত্র- কারক বিভক্তি

আসসালামু আলাইকুম! আশা করি প্রত্যেকেই ভালো আছেন। তো আজকে আমর যে ক্লাস করতে চলে এসেছিসেটা হচ্ছে বিসিএস (BCS) প্রস্তুতি বাংলা ২য় পত্র- কারক বিভক্তি। আজকের এই কারক বিভক্তির মধ্যে প্রথমেই আমি আসলে কিছুতেই লিখে রেখেছে। যেমন কারক ও বিভক্তির মধ্যে বিভক্তি গুলো। মুখস্ত করতে হয় সেটা তো আগেই লিখে রেখেছে।

বিসিএস (BCS) প্রস্তুতি বাংলা হয় পত্র

তবে এই বিষয়গুলোর মধ্যে বেশ কিছু বুঝার বিষয় রয়েছে। আমরা সেই বিষয়গুলো আগে বুঝে শুরু করার আগে। কারো প্রকাশের আমরা পড়ি। কিন্তু তার আগে আমরা বিভক্তির সম্পর্কে একটু বিস্তারিত জানব। উদাহরণ দেখেছি কিন্তু হচ্ছে ভুল একটু পড়ে দেখেন। আর আমি কলম খায়, এটা একটা ভুল বাক্য।

বিসিএস (BCS) প্রস্তুতি বাংলা ২য় পত্র এটা কিভাবে ঠিক করব। এটাকে খুব সহজেই ঠিক করা যায়। যদি আমি এখানে একটা কি করি। আমি কলমি খায়, তাহলে দেখা যাচ্ছে এখানে প্রযুক্ত বল একটি যুক্ত হলো। এখানে যুক্ত হচ্ছে তার খেয়াল করে দেখেন। এখানে যুক্ত হলো এই শব্দটার অর্থ পরিবর্তন হলো না কোনো। পরিবর্তন হয়নি কিরকম, আমার কলমে কালি আছে।

কারক বিভক্তি

কলম আর এখন হয়ে গেল, তার মানে অর্থ পরিবর্তন হলো না। আচ্ছা এখন এখানে অতিরিক্ত যে অংশটি যুক্ত হলো, এখানে যুক্ত হয়েছে। একটু খেয়াল করে দেখেন আগে ছিলাম। আর আমি একটু খেয়াল করে দেখেন তার মানে কি খাদ্য হয়ে গেলো। হয়ে গেলো খাদ্য গিয়েছে, তার মানে অর্থ পরিবর্তন হয়েছে। অতিরিক্ত যুক্ত হচ্ছে সেটা যদি অর্থ পরিবর্তন না করে। তাহলে সেটাকে বলা হচ্ছে বিভক্তি।

আচ্ছা আর যদি দেখতে পাই যে অতিরিক্ত অংশ অর্থ পরিবর্তন করছে। সেই অতিরিক্ত অংশকে বলা হচ্ছে প্রত্যয়। তাহলে দুটোই কিন্তু অতিরিক্ত অংশ এর মধ্যে পার্থক্য কি আমরা খুব সহজে বুঝে ফেললাম। পার্থক্যটা হচ্ছে এই যে এটা অতিরিক্ত হলে বিভক্তি হবে তা নয়। যদিও অর্থ পরিবর্তন না করে তাহলে বিভক্তি। আর যদি অর্থ পরিবর্তন করে তাহলে হচ্ছে প্রত্যয়। আশা করি আপনারা বুঝতে পেরেছেন যে এই বিভক্তির মধ্যে পার্থক্য কি?

আসলে কারক কাকে বলে?

এটা হচ্ছে আমাদের জানার খুব একটা কমই থাকে। কাকে বলে কারক তো অনেক কঠিন জিনিস। আসলে কারক কাকে বলে এটা আমাদের জানার খুব একটা দরকার নাই। কারণটা হচ্ছে এটা কখনো পরীক্ষা আসে না। তবে আমি কি পড়াবো না, হ্যাঁ অবশ্যই পারব। তবে আমরা কারক উদাহরণ এর মধ্যে পড়তে পড়তে শিখে ফেলবো।

না যেটা আমরা ওদের মধ্যে পড়তে পড়তে বসি। খেলব আলাদা করে মুখস্ত করে আমরা পড়বো না আমার প্রথম কথা। দ্বিতীয় কথা হচ্ছে কারক কয় প্রকার সবাই জানি। এই যেখানে আলাদা করার কিছু নেই। কারণ প্রতিকার অধিকরণ এখন আমরা জানি। আসলে আজকের এই পর্বে আলোচনা করব প্রতিকার নিয়ে।

বিসিএস (BCS) প্রস্তুতি বাংলা ২য় পত্র: আলোচনা করতে হয় কুর্তি সম্পর্কে। একটা কথা লিখতে হবে, করতে হচ্ছে। যে কাজ করে তাকে বলা হয় হচ্ছে করতে পারি। এ নামটা ব্যবহার করেন সেটা হচ্ছে উদ্দেশ্য। যে কাজ করে সেই মূলত হচ্ছে কটা বা করতি কারক। যেমন আমি কথাটা বললাম। আমি বই পড়ে, এখন খেয়াল করতে হবে। তার নিচে দাগ রয়েছে, যার নিচে দাগ করা থাকবে সেই কিন্তু।

কি হবে তাকেই হচ্ছে মূলত নিন্দা করতে হবে কিনা। আন্দোলন করা থাকবে হামিদের নিচে। আমাদের মাথা ব্যথা কোথায় হয়। আমরা একটা ভুল প্রায়ই করে থাকি। সেটা হচ্ছে যে জানিয়েছে আন্ডার লাইন করা থাকে, বাজারে থাকে। সেটা নিয়ে হচ্ছে আমাদের প্রথম মাথাব্যথা হয়। কোন কারক হবে কিন্তু সেটা না করে যদি আমরা এরকমটা করি। যে আদিত্রী ওনাকে ভালো করে দেখার চেষ্টা করি।

যে এই কাজটা করছে, কাজটা কে করছে আমি। যে কাজ করে সে কি অবশ্যই কথা বলছি। কথা বলার পর থেকে আমি নিজেই আপনি শুনছেন। আপনি তো যারা ঘুমায় তারা হচ্ছে এরকম। যে যে কাজ করে সে হচ্ছে সেই কাজের কর্তা। দুনিয়াতে যারা কাজ করে তারাই হচ্ছে কর্তা। একটা কথা আছে বাড়ির প্রধান কেউ কিন্তু র্কতা বলা হয়। আলাদা হিসাব প্রধান বোঝায়, তা আবার চার প্রকার।

মুখ্য কর্তা

আমি একটা উদাহরণ দিব। উদাহরণের মাধ্যমে আমরা সেই বিষয়গুলো খুব সহজেই বুঝে ফেলব। আমাদের চার প্রকারের মধ্যে প্রথম প্রকার টা হচ্ছে মুখ্য কর্তা। আচ্ছা আমি যদি আগে উদাহরণ দিই, তাহলে এইটা খুব ভালো করে বোঝা যাবে। যেমন আমি বললাম ছেলেরা ফুটবল খেলে। ছেলেদের খেললো, এই জায়গাটা একটু পরে আসছি। তার আগে আমরা আরো যে তিনটা আছে তিন টাকা পড়ে ফেলি।

তাহলে এটা আলাদা করে পড়া লাগবে না। আমি তিনটার মধ্যে প্রথম যে পরের দুইটা একসাথে পরাবো। আমি যদি বলি যে প্রযোজ্য একটা অসাধারণ শিক্ষক। শিক্ষক ছাত্রদের পড়াচ্ছেন। এখানে একটু খেয়াল রাখতে হবে শিক্ষক ছাত্রদের পড়াচ্ছেন। এই জায়গাটায় এসে শিক্ষক কি পড়াচ্ছে, আর ছাত্ররা একজন জোরপূর্বক। না একজন থেকে ছাত্র শিক্ষক এবং ছাত্র চার্জ নিচ্ছে।

এই ব্যাপারটা খুব ভালো করে বুঝতে হবে। যে এখানে আমরা বলব, আর কি বলব তারপর কাজটা চাপিয়ে দেওয়া হয়। আরও যদি ভালো করে বলেই, প্রযোজক হচ্ছে করে। যে কাজের জন্য করে সে হচ্ছে প্রযোজক। আর্য জাতির দেয় সে হচ্ছে প্রযোজ্য। এই বিষয়টা যদি মাথায় রাখি আমাদের খুব ভালো করে বুঝতে পারব। আমরা খুব সহজেই বুঝে ফেললাম।

ব্যতিহার কর্তা

বিসিএস (BCS) প্রস্তুতি বাংলা ২য় পত্র এবারে বলা হচ্ছে চার নাম্বারটা একটু কেমন যেন শুনতে। যেমন তেমন টানা ব্যতিহার কর্তা। এখন সবার মনে একটা প্রশ্ন আসে ব্যতিহার জিনিসটা কী। জিনিসটা হচ্ছে যে সকল জায়গায় পাব, একটা কথা মাথায় রাখতে হবে। শব্দের মানে হচ্ছে উভয় এই কথাটা সবসময়। কিন্তু আমি মাথায় রাখব মানে, আমি যদি এরকম বোঝানো হচ্ছে। এক ঘাটে জল খায়, এখন একটা ব্যবস্থা হবে কাজ কি। এখানে কাজটা হচ্ছে মূলত খেয়াল করে দেখেন। এখানে কাজটা হচ্ছে জল-হাওয়া, কাজ কিন্তু একটাই থাকবে।

তো এই একটা কাজ যখন দুইজন মিলে করবে মানে হচ্ছে তখন এই দুইজনি হচ্ছে ব্যবহার করতে হবে। মোটকথা একটা কাজ করবে, আমি যদি এই ব্যাপারটাকে আরেকটু উন্নত উদাহরণ দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করি। তাহলে বিষয়টা এরকম হয়, যে ধরেন ছেলেমেয়েরা স্কুলে যাচ্ছে। তাদের কাজ একটাই স্কুলে যাওয়া। স্কুলে যাওয়া ব্যাপারটা যখন ছেলেমেয়েরা একসাথে।

কত সালে ছেলে এবং মেয়ে উভয়েই হচ্ছে কি ধরনের কর্তা। ব্যতিহার কর্তা, কারণ এক টাকা আছে তারা যখন একটা কাজ করে তখন সেটাকে বলা হয় ব্যতিহার কর্তা। আশা করি আপনারা বুঝতে পেরেছেন। এতে বলা হয় রাজায় রাজায় লড়াই করছে। তার মানে করার জন্য বলা হচ্ছে ওই রাজায় করছে। এজন্য হচ্ছে ব্যতিহার কর্তা বলা হচ্ছে। আশা করি বুঝতে পেরেছেন ব্যতিহার কর্তা।

প্রযোজক মানে কি

আমরা ব্যাকরণের যে সকল জায়গায় ব্যতিহার শব্দটা পাব। তখন আমরা অর্থ ধরে নিব হচ্ছে উভয়, আশাকরি আপনাদের কাছে এই ব্যাপারটা অনেক বেশি সহজ। এবার চলে আসি মুখোপাধ্যায়, সেটা হচ্ছে যে এই প্রযোজক মানে কি। একজন দিচ্ছে আর জমে না থাকে চার্জ নেই। চার্জ দেওয়া নেওয়া এগুলো কোন কিছুই থাকবে না। এরকম কোন কিছু থাকবে না।

নিজে নিজে কাজটা করবে একটু খেয়াল করে দেখেন। ডাক দেওয়ার চেষ্টা করেছিলাম, ছেলেরা ফুটবল খেলে। ফুটবল খেলার জন্য চাপ দিচ্ছে না, চাপ নিচ্ছে না। আবার তার মানে এটা অবশ্যই নিজে কাজ করছে। বইয়ের মধ্যে আরো অনেকগুলো উদাহরণ থাকে। যেমন আমার বলে থাকি ছাগলে কিনা খায়, পাগলে কিনা বলে। পাগলে কিনা বলে বলা কাছ থেকে করছে।

ক্রিয়া সম্পাদন

আবার যদি আমি দেখি বুলবুলিতে ধান খেয়েছে, খাজনা দেব কিসে। বুলবুলিতে ধান খেয়েছে, হে অবশ্যই বুলবুলি হচ্ছে প্রধান। আচ্ছা বলুনতো বুলবুলিরে অতিরিক্ত কিছু করতে এটা কোন বিভক্তি দেখা যাচ্ছে। সবই বুঝে ফেলছে লোকে কিছু বলে। একটু খেয়াল রাখতে হবে কাজটা কে করেছে। এই বাক্যে ক্রিয়া থাকে, সেই ক্রিয়া সম্পাদন করে তাকেই বলা হচ্ছে মূলত হচ্ছে কর্তা।

বিসিএস (BCS) প্রস্তুতি বাংলা ২য় পত্র কর্তী কারক চেনার আমাদের কত সহজে হয়ে গেল। চার প্রকার যে কর্তৃকারক সেটা আমরা খুব ভালো করে বুঝে ফেললাম। আশা করি আপনারা খুব ভালো করেই বুঝতে পেরেছেন। আমি দুটো বেশ বড় বড় লিখি, একটা হচ্ছে ধর্ম-কর্ম। লিখলাম ওটা এক করে ফেলি না, এই দুটোর মধ্যে একটা পার্থক্য অবশ্যই রয়েছে। এই কর্মটি মূলত হচ্ছে অবজেক্ট। আচ্ছা এখন অবস্থা খুব ভাল করেই জানি, তুই যদি আমার ভুল হয় না।

এজন্য আমরা এখন থেকে কখনোই করে ফেলব না। মনে হচ্ছে এভাবে আপনার মনে রাখবো, ধরে রাখতে পারি। আমাদের মাথার মধ্যে আসতে পারে। যদি ইংলিশে করা যাবে তবে এখানেই শেষ। কিন্তু এখান থেকে শুরু বুঝতে পারব না। এটা বোঝানো সম্ভব না, আমাদের আসলে বিস্তারিত জানতে হবে। বিস্তারিত জানার জন্য আমরা একটু চলে যায়। বিস্তারিত উদাহরণ দিয়েছিলাম প্রথম। দেখো ওটা হচ্ছে আপনার সম্পর্কে আগে, ওর ধর্ম সম্পর্কে।

আমাদের ধারণা হয় আসলে আমরা যেটা মাথায় রাখবো। যে কথাটা শর্টকাট কথার উপর ভিত্তি করে কাজ করা হয় তার মানেটা কি। তার মানেটা হচ্ছে আমি দুধ আর নেই। যে আমি বললাম শুরুর ধরনটাই দেই। আমি বই পড়ে ঠিক আছে, আমি পরে। এখানে আমি খুব ভালো করে বুঝতে পারছি। আমি এভাবেই লিখি, আমি ঢাকা যাব।

সত্যি এখন যদি হয় বৈকাল হলো, যদি না থাকতো তাহলে কি করা যেত না। এই কাজটা কিন্তু কখনোই মনে পড়ার মনে হচ্ছে। একদম ভিত্তি এবং শূন্য বিভক্তি কে দেখা করতে পারলাম। কিন্তু এইখানে পড়তে পারতো না, হামিদ কোথায় যাচ্ছে। ঢাকা যাচ্ছে, না দেশে যেতে পারত না। কত এরকম হওয়ার কথা ছিল। এ রকমটা হবে না, আপনার একটা কথা সবসময় মনে রাখবেন।

এই নোটটা রাখবেন যে কোন সময় স্থান কখনওই কি হবে না। কখনোই কথা মাথায় রাখতে হবে সবাই এক হতে পারবেনা। সেটা কিরকম বলতে, আমার ঘরটা হতে পারে ঢাকা হতে পারে। মালয়েশিয়া হতে পারে, ইন্দোনেশিয়া হতে পারে। যে কোনো জায়গার নাম হতে পারে। যে কোন শহরের নাম হতে পারে, যে কোন নদীর নাম হতে পারে। সময় বলতে কি সহজে সকাল বিকাল রাত সপ্তাহের।

অপাদান ও অধিকরণ

শনিবার, রবিবার, জানুয়ারী, ফেব্রুয়ারী, তারপর সালের নাম যেকোনো সময় নির্দেশ করে। যেকোনো সময় নিয়ে দেশকে বোঝায় তা কখনোই হবে না। হবে না তাহলে কিভাবে হবে নাকি হবে। এ কথাটা মাথায় রাখতে হবে, একথা বুঝতে হবে। ঠান্ডার সময় হলে যেটা করতে হবে, সেটা হচ্ছে যে সব সময় হয় অপাদান হবে। আর না হলে হচ্ছে সেটা অধিকরণ হবে।

বিসিএস (BCS) প্রস্তুতি বাংলা ২য় পত্র অধিকরণ কোনটা হবে, সেই প্রশ্নের উত্তর জেনে নিব। আজকে আমরা এই পর্যন্তই রাখব। কিন্তু আরেকটা কথা হচ্ছে এই যে আমাদের। যেমন আমি যদি বলি যে বাবা আমাকে কলম কিনে দিল। এখানে একটু ভালো করে খেয়াল রাখতে হবে যে আমাকে এবং কলম। আমাকে হচ্ছে প্রাণী, আর কলম টা হচ্ছে কি বস্তু। এখন যেটা বস্তু যেটা প্রাণী এটা মাথায় রাখতে হবে।

সমধাতুজ কর্ম

এই যে বস্তু এবং প্রাণী এই জায়গাটা একটু খুব ভালো করে বুঝতে হবে। যেটা বুঝতে হবে সেটা সব সময় হচ্ছে মুখ্য হবে। মুখ্য কর্ম আজ যেটা হবে সেটা হচ্ছে গৌণ হবে। এটা খুব ভালো কথা রাখতে হবে। তাহলে কর্মকার প্রকার একটা হচ্ছে মুখোমুখি অবস্থান করি। আপনারা বুঝতে পেরেছেন পাশাপাশি আরেকটা দেশ, আপনার মাথায় রেখে দিই। সেটা হচ্ছে সমধাতুজ কর্ম টা প্রায় পরীক্ষায় আসে।

তার একটা উদাহরণ যদি আপনার কে বোঝায় খুব ভালো করে বুঝতে পারবেন। যে খুব ঘুমিয়েছি, এখানে একটা কথা বলতে হবে। এটা কোন সমস্যা নেই, কিন্তু কথা হচ্ছে এটা কি করে দেখতে হবে। ধাতু হচ্ছে ঘুম, ঘুম এই ক্রিয়া কি ধাতু। এখন তো খেয়াল রাখেন, আর এটা কিন্তু যেহেতু ঘুম রাত সমান। তাকে বলা হয় সমধাতুজ কর্ম। আপনার খুব ভালো করে বুঝতে পেরেছেন।

বিভিন্ন পরীক্ষায় আসা প্রশ্ন

যে এইখানে আমাদের কর্ম নিয়ে কি আলোচনা রয়েছে। এখন আমরা বিভিন্ন পরীক্ষায় আসা প্রশ্ন আপনাদের দেখাবো। আপনাকে খেয়াল করতে হবে যে এই প্রশ্নগুলো অত সহজে অতিদ্রুত উত্তর করা যায়। মানে শুধুমাত্র যে আমরা প্রস্তুতিকালে বুঝবো তা কিন্তু নয়। আমাদের কিন্তু এটাও বুঝতে হবে যে খুব দ্রুত উত্তর দিতে হবে। সেই দিকে খেয়াল করে দেখেন আমরা খুব সহজে উত্তর দিতে পারে।

আমরা দেখতে পাচ্ছি আশা করি দেখা যাচ্ছে। একটা রয়েছে আমি কি ডরাই, সখি ভিখারী রাঘবে কোন বিভক্তি। আশাকরি আপনারা দেখতে পাচ্ছেন। আশা করি বুঝতে পেরেছেন এবার চলে আসেন ষষ্ঠী বৃহত্তর চিহ্ন। কোনটি আমরা উত্তরটা ওই দেখানোর জায়গা পাবো। এর রমজানের কোথায় পেলাম, এরকম খুব দ্রুত। কিন্তু আমাদেরকে এটা বের করতে হবে। আমরা দেখি আমার যাওয়া হয়নি।

খালেক আজকে এখানে যাওয়া, যেহেতু কাজটা কে করলো আমার। আমার করেছে তাই এটা হচ্ছে এখন করতে সেখানে কি আছে একটু বুঝতে হবে। এর সাথে কিন্তু আছে থাকলে কি হবে ষষ্ঠী হবে। তা হচ্ছে তার নাম্বারটা হবে। এবার ঘোড়ায় গাড়ি টানে, একটু ভাল করে খেলতে হবে। না কাজটা কি করছে না, করছে তার মানে ঘোড়াই হচ্ছে করতে হবে। আর ঘোড়ার সাথে ঘোড়ার শব্দ বিভক্তি দেখতে পাচ্ছি।

সপ্তমী বিভক্তি বহুবার পরীক্ষায় এসেছে। খুব ভালো করে দেখতে হবে না জিজ্ঞেস করে কি মানুষ একজন। দুইজন তিনজনে রকম বলে না মানুষ জনে জনে আমরা। প্রত্যেকেই মানে কি, একটু আপনারা লিখে রাখতে পারেন। জানি মনে হচ্ছে প্রত্যেককেই জিজ্ঞাসিব জনে। যদি না থাকতো কাউকে জিজ্ঞেস করতে পারতাম না, তবে কর্মের উত্তরটা বুঝতে পেরেছেন। ব্যক্তিবাচক কে কি বলা হয়, একটু খেলবে দেখানো পড়েছিলাম। যেটা হবে সেটা কিভাবে গণ্য হবে। আর যেটা হচ্ছে বস্তুবাচক হবে সেটা কিভাবে মুখ্য হবে।

উপসংহার

কেননা কেমন হলো আশা করি আপনারা বুঝতে পেরেছেন। আশাকরি আপনারা বিভিন্ন প্র্যাকটিস করবেন। আর হচ্ছে আমরা চেষ্টা করব আপনাদেরকে প্রত্যেকটা পরবর্তীকালে অনেক ভালো করে বোঝানোর জন্য। আমরা আজকে এই পর্যন্তই। আমরা দ্বিতীয় পর্বে থাকবে, সেখানে কিন্তু আমরা সম্প্রদান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।

Leave a Reply

Your email address will not be published.