বিসিএস পরিক্ষা প্রস্তুতি কারক সর্ম্পকে শিখুন

আসসালামু আলাইকুম! কেমন আছেন সবাই, আশা করি প্রত্যেকেই ভালো আছেন। আজকে আমরা বিসিএস পরিক্ষা প্রস্তুতি কারক সর্ম্পকে শিখব। এই পর্বে আমরা মূলধনের ওপর বসে যাচ্ছে উপাদান এবং অধিকরণ। আসলে অধিকরণ বলতে আমরা কি বুঝি। যদি কোন চাই তাহলে আমরা মনে রাখিস এটা হচ্ছে কাজের শুরুতে বলা হয়।

বিসিএস পরিক্ষা প্রস্তুতি

আর অধিকরণ আছে কাজ শেষ করে বোঝাবো। বোঝাবো সেকেন্ড হয় লিখেছি কেন রেখেছে। তার ব্যাখ্যা রয়েছে আর বসে জায়গায় আরেকটা হচ্ছে। আমি ভাবী এবং ভাবে লেখা আছে। আলাদা আলাদা বলেই কিন্তু ওখানে সেখানে লেখা হয়েছে। কেন লেখা হলো কিছু বলো, আমি অবশ্যই বাড়ি যাব। তার আগে আমরা প্রথমের টা কোথা থেকে।

বিসিএস পরিক্ষা প্রস্তুতি খুব ভার করে নিতে হবে। ঢাকা থেকে কুমিল্লা একটু খেয়াল করে দেখেন, তাদের শুরুটা বুঝতে হবে। কাজ কি যাওয়া কাজটা শুরু হলো কোত্থেকে। ঢাকা থেকে শেষ হলো, কোত্থেকে কোথায় কুমিল্লা কাজের শুরু। আর এটা হচ্ছে কাজের শেষ খুব ভালো করে জানি। কাদের যদি হয় শুরু হলে কি হয় শেষ হলে কি হয়। অধিকরণ হচ্ছে এটা হচ্ছে আশা করি আপনারা খুব সহজেই বুঝতে পেরেছেন।

কারক কাকে বলে

এখন এখানে দেখেন ছয়টা পযনত ঘুমালে, রহিমের ঘুমানো শুরু হচ্ছে দশটায়। আর শেষ হচ্ছে কয়টায় দশটা। এখন কিভাবে ঘুমানো শুরু, মানে কাজের শুরুতে অবশ্যই। কিভাবে অবশ্যই এটা যেটা হবে সেটা হচ্ছে এখানে অপাদান। আর ছয়টা যেটুকু সময় এবং ঘুমানোর শেষ হচ্ছে তার মানেটা কি হবে। আশা করি বুঝতে পেরেছেন অপাদান অধিগ্রহণ জিনিসটা কি।

তবে ধারনা আমাদের একটা কথা বুঝতে হবে। আরও বেশ কয়েকটি বিষয় গুলো খুব ভালো করে বুঝতে হবে। আমাদের একটু চেষ্টা করব সে অনেকটা সহজ হয়। এখন একটু খেয়াল রাখতে হবে দুধ থেকে দই হচ্ছে। এই জায়গাটায় এখানে এসে কি হবে। এর উৎস কি দিতে হবে, সেটা হচ্ছে অপাদান হবে।

কারক এর উৎস

যখন বুঝবে তখন সেটা কি হয়ে যাবে অফ হবে। এজন্য আমি লিখেছিলাম হচ্ছে অপাদান। আচ্ছা আমি যদি বলি যে রোগ হয় তার উৎস কোথায় হবে। আশা করি আপনারা বুঝতে পেরেছেন। এবার চলে আসেন আমরা আরেকটা থেকে দেখি। সেটা হচ্ছে যে বাবাকে ভয় পায়। যখন কোন ভয়ের ব্যাপার আসবে সেইটাই হবে কোনটা হবে। একটু ভালো করে বুঝা যাচ্ছে ভয়ে।

বাবাকে ভয় পাচ্ছে, যেখানে বাঘের ভয় সেখানে রাত পোহায়। একবার এসেছিল পরীক্ষায় যেখানে বাঘের ভয় হচ্ছে অপাদান খুঁজতে হবে না। আমি আগেই বলেছি সম্প্রদায় আর বাকিগুলা থাকলে আশা করি বুঝতে পেরেছেন। আমি দ্বিতীয় পর্বে এই বিষয়গুলো বুঝিয়ে দিন। লোভে পাপ, পাপে হচ্ছে মৃত্যু। প্রায়ই আসে মনে রাখবেন যে বিভিন্ন সালে আসা প্রবাদ বাক্য গুলো।

অপাদান

বিসিএস পরিক্ষা প্রস্তুতি পরিক্ষায় অনেক সময় আসে। সবসময় কি হয় গুরুত্বপূর্ণ হয় অন্যরকম হয়। কিন্তু অপাদান টা কিভাবে হলো মানে চিন্তা ভাবনা টা কিরকম। একটু বোঝান পেলে কি হয় লোভ থেকে পাপ। কার্য থেকে মৃত্যু হয় তার মানে এই লোভ কিন্তু এখানে সেই হিসেবে কি হচ্ছে। অপাদান হচ্ছে কারণ এই কথাগুলো বুঝতে হবে। একটু সেন্সটা ক্রিয়েট করা হয়, তাহলে কিন্তু আমাদের খুব ভালো করে বুঝতে পারব।

আরেকটা অন্যরকম করে লিখে রেখেছি। নিচে ফেলে এরকম একটা উদাহরণ থাকে পরীক্ষায় আসে। আমরা গুলো বেশি যতগুলো আছে ততগুলো ব্যাপারটা থেকে মুক্তি পাওয়ার চেষ্টা করি। যেমন আমি যদি একটু থেকে এটা খুব তৈল হয়। তিলে তৈল হয় হয় কথাটা একটু মনে হয়। কালকে যদি আমি দেখি তাহলে আর বুঝার সহজ হবে। তিলে তৈল হয় অথবা পাওয়া যায় এই কথাটা কেন বললাম।

একটু পরে বুঝতে পারবেন এটা হচ্ছে একটা ম্যাজিক। এইটা দিয়ে খুব ভালো করে বোঝা যাবে। আবার দেখেন যে তিলে তৈল হয় পাওয়া যায়, পাওয়া যাবে আছে। এখন আছে কথাটা ক্যামনে বরাবরের মতো কি লিখবো। একটু লাল কালি লিখবো এটাই হচ্ছে আমার। কি উপহার দিতে হচ্ছে ভেজাল লাগে তো। চলেন যেটা ভালো লাগে সেটাই যদি আমার কিছু হয়ে যায় তাহলে খুব ভালো হয় না।

অধিকরণ

চলেন মনে রাখতে হবে যখন হয় বা পাওয়া যায় পাবে। সেটা সবসময় অপাদান হবে না পাওয়া যায় তাহলে কি হবে। অধিকরণ হবে কথা কিন্তু এক অর্থ পরিবর্তন হচ্ছে না। কিন্তু কথাটা কিভাবে বলছি কিভাবে ডেলিভারি দিচ্ছে। তার ওপর নির্ভর করছে যে এটা আসলে কোনটা অপরাধ হবে। কোন অধিকরণ হবে আমি ছোট্ট একটা জিনিস খেলে কিন্তু এরকম ভাবে সহজ হয়।

বিসিএস পরিক্ষা প্রস্তুতি সবার জন্য দরকার ছিল। যে পাওয়া যাবে অপাদান থাকলে হইয়া কি কথা। কিভাবে অধিকার হবে আমি যদি বলি নদীতে মাছ পাওয়া যায়। অপাদান নদীতে মাছ আছে এই ক্ষেত্রে উৎপাদন হচ্ছে। আর সমুদ্রের লবণাক্ত হচ্ছে অধিকরণ হচ্ছে ওভারেল যদি এগুলো মাথায় রেখে। আমাদের কিন্তু এরপর থেকে কোনটা উপাদান হচ্ছে। কোনটা অধিগ্রহণ হচ্ছে খুব সহজে আমরা মনে রাখতে পারব।

অধিকরণ এর প্রকারভেদ

হবার তা হল তবে এইবার কথাবার্তা হবে অধিকরণ নিয়ে। শুধুমাত্র অধিকরণ নিন কারণ অধিকার কিন্তু আরো তিন প্রকার। অধিকার নেই আমার কথা বলার কোন দরকারই নেই। দরকার নেই ব্যাপারটা অনেক সহজ এই বিষয় না। এখনো তো কোথায় আসবো ঠিক আছে কথা বলার আগে আমরা যেটা হচ্ছে একটু লিখে ফেলি। তাহলে এইভাবে কথা মনে রাখতে হবে এবং অধিকারের মধ্যে কথা যায়না।

প্রকারের মধ্যে তাকে আমি আগে হচ্ছে যে কাজটা করব। শিরশ্ছেদ উদাহরণ দেই আমি বললাম রহিম বাড়ি যাবে। বাড়ি যাবে দুই নাম্বারে বললাম সেলিম সকালে যাবে। একই কথা একই কথা আরেকটু পরে দেখতে হবে। আরেকটা যেটা করতে হবে সেটা আমি আগেই দুটো খুব ভালো করে বুঝিয়ে নেই। আমাদের একই রকম জিনিস এর মধ্যে পার্থক্য একটু ভাল করে দেখেন।

তো এটা মূলত কি হয় এটি হচ্ছে খান। আর এটা হচ্ছে সময় এখন সময় তমার কি বলি। আর এই যে এটা কি বলি আধার বলে তাদের কথা ভাবছি। চন্দ্রবিন্দু আধার মানে অন্ধকার, আর যখন চন্দ্রবিন্দু মুছে যায় খান হয়ে যায়। এই দেশটা খুব ভালো করে বুঝতে হবে। তাহলে যখন আমরা অধিকরণ অধিকার হিসেবে কোন একটা স্থানকে বলা হবে আধারাধিকরণ।

ভাবাধিকরণ

অথবা তাহলে আপনাকে সে বুঝতে পেরেছি। আচ্ছা এখন কথা হচ্ছে ভাবাধিকরণ নিয়ে। আমাদের কারণ আমরা এখন কথা বলব একটু ঝামেলার বটে। কিন্তু ঝামেলার হলেও আমরা যদি একটু আলোচনা করি তাহলে কিন্তু আমাদের ব্যাপার গুলো খুব সহজেই মনে থাকবে। যেমন জিনিস আছে পরীক্ষাগুলা কি রকম মন্দীভূত হয়। বন্ধুত্ব মানে কি কমে যাওয়া, মানে কি কমে যাওয়ার কান্না পায়।

যখন কান্না পেলে আমাদের এখানে প্রচন্ড কমে যায়। কিন্ত অনেকসময় দেখা যায় কিন্তু কি যে আমরা প্রচুর কান্নাকাটি করে। কিন্তু আমাদের প্রভাবে অর্থাৎ এটা হচ্ছে কান্নার প্রভাবে। যার প্রভাবে কোন একটা কিছু হয় তখন তাকে কি বলা হয়। মূলত তাকে বলা হয় হচ্ছে প্রভাবক। হ্যাঁ প্রচুর কোন কিছু হয় তখন তাকে বলা হয় প্রভাব। প্রভাব কথাটাকেই হচ্ছে বলা হচ্ছে আর কেটে দিয়ে।

ভাব বলা হচ্ছে এই জন্য সবকথা বাধা লিখেছিলাম। মনে রাখতে হয় আসলে এটাকে বলা হচ্ছে ভাবাধিকরণ। প্রভাব বিস্তার করে হওয়ার জন্য কি হয়। আবার আরেকটি রঙ্গলি সূর্যোদয় অন্ধকার দুর্বৃত্ত হয়। সূর্য উদয় হয় দেখেই বলে তো অন্ধকার দুর্বৃত্ত হয়। দূর হয়ে যায় অন্ধকার, দূর হওয়ার জন্য প্রভাবকে সূর্যোদয় হবে। ভাবাধিকরণ যদিও আমাদের মাঝে মনে হয় যে এটা কর্মকারক হতে পারছেন না।

আধারাধিকরণ

বিসিএস পরিক্ষা প্রস্তুতি পরিক্ষায় অধিকরন আসতে পারে। এখানে কি হবে না এটা প্রভাব ফেলছে। এটা কি হয়ে যাবে হয়ে যাবে আশা করি আপনারা বুঝতে পেরেছেন। বন্দ্যোপাধ্যায় অথবা আরেকটা যেটা হয় সেটা হচ্ছে সূর্যর অন্ধ হওয়ার পাশাপাশি, কান্নায় শোক মন্দীভূত হয়। এই দুটো আমাদের অনেক বেশি পরীক্ষায় আসে। এখন আমরা এখানেই শেষ না হচ্ছে আধারাধিকরণ। খেয়াল করে দেখেন আপনি কোন একটা অধিকরণ বলে ফেলবে। এই জন্যই বিষয়টা বলেছিলাম প্রশ্ন পরীক্ষায় এসেছিল।

সেটা তাদের এরকম যে ছেলেটির রাজনীতিতে ভালো। রাজনীতির বিষয়ে স্বাধীনভাবে আর একটা প্রশ্ন ছিল যে তার ধর্ম থাক। ধর্মীয় সম্প্রদায় যাবে না, এখানে একটা বিষয় তার ধর্ম বিষয়ে জ্ঞান আছে। তবে বিষয়টি কারণ হবে এই আশা করি আপনাদের ধরতে পারবেন। খুব সহজেই বুঝতে পারবেন যে জায়গাটার মধ্যে একটা চলে গেল। আমাদের আরও দুই প্রকার বাকি রয়েছে।

চট্টগ্রামের দেখি একই জিনিস আমাদের পরীক্ষা আবারো ঝামেলায় ফেলে। কবে কিভাবে কি আছে নদীতে। কি থেকে আসলে অনেক কিছুই থাকে। নদীতে মাছ আছে, আরেকটা বললাম নদীতে পানি আছে। পানি আছে, মাছ নদীতে, জায়গা থাকে না। নির্দিষ্ট জায়গায় থাকে আবার অন্য জায়গায় থাকে। কিন্তু পরে জায়গা জুড়ে থাকে। যখন কোন একটা স্থানে থাকবে, তখন সেটা কিভাবে থাকে।

যখন থাকে তখন সেটা হচ্ছে অভি আবার মা অবশ্য পরে থাকে না। সে ক্ষেত্রে এই নদীতে কিভাবে এটা হচ্ছে বৈদেশিক হবে। যে নদীতে সমুদ্রের লবণাক্ত, সমুদ্র যদি লবণ থাকে। সমুদ্রের লবণাক্ত সমুদ্র দিতে পারতাম। কিন্তু অবশ্যই হবে এটা হচ্ছে যে বনে বাঘ আছে। জায়গা জুড়ে থাকে না নির্দিষ্ট জায়গায় থাকে। তো সেই ক্ষেত্রে পড়বো সেটা হচ্ছে আমাদের মাথায় রাখতে হবে। কিন্তু পুরোপুরি থাকে এই জন্য এখানে কিন্তু কি হয়ে যাবে।

অপাদানে পঞ্চমী

আমরা প্রথমেই যেটা দেখতে পাচ্ছি যে হচ্ছে একটু খেয়াল করে দেখেন। আশা করি দেশটা বোঝা যাচ্ছে তাই তো বাবাকে বড্ড ভয় পাইতাম। একটু আগে লিখেছিলাম বাবা খেলে কিভাবে অপাদানে দিতে হবে। কারণ কে আছে কে ওই যে দেখা যাচ্ছে। সম্প্রতি হত বাড়ি থেকে নদী দেখা যায় দেখা। বাড়ি থেকে কিভাবে বাড়ি থেকে শুরু হয়। বাড়িতে কে কে আছে, ওইখান থেকে কিভাবে পঞ্চমী।

পঞ্চমী থেকে 3 সেকেন্ডের মধ্যে করতে পারি সেটা খুবই ভালো। এর থেকে আরও বেশি নেয়া শুরু করে দেন। তাহলে কিন্তু আপনার সময় খোলামেলা পোশাকে মাথায় রাখতে হবে। সুরভিত হয় এরা হচ্ছে অধিকরণে সপ্তমী অথবা এটা কিন্তু আপনি আরেকটা বলতে পারি। করণে সপ্তমী এখানে বলা যায়, তবে এখানে একটা ব্যাপার আছে। আমি এখানে ইচ্ছা করে হচ্ছে ভাবাধিকরণ লিখে রেখেছে।

উপসংহার

কেন কারণটা হচ্ছে আপনি কোনটা উত্তর দিবেন তখন খেয়াল করে দেখবেন লেখা রয়েছে। এখন বরণ করতে হবে বুঝতে পেরেছেন। সেক্ষেত্রে কিন্তু আমরা প্রথমেই ধরে নেব এটা হচ্ছে কিভাবে অধিকরণ হবে। বাড়ির সাথে কোন বিভক্তি ও নেই ওই দেখেন। কোন কিছু না থাকলে কি হয় শূন্য হয়, তাহলে এটা কিভাবে শিখলাম। অধিকরণে শূন্য হবে দ্রুত আমরা এই প্রশ্নগুলো করতে পারলাম। আমরা আশা করি আর পরবর্তী পর্বে আমরা নতুন বিষয় নিয়ে আপনার সামনে আসব। আজকে এই পর্যন্ত, প্রত্যেকে ভাল থাকবেন ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.