বিসিএস প্রশ্ন- ক্রিয়ার কাল || BCS Question – Verb tense

আসসালামু আলাইকুম! কেমন আছেন সবাই, আশা করি প্রত্যেকেই ভালো আছেন। আজকে আমরা বিসিএস প্রশ্ন- ক্রিয়ার কাল আলোচনা করব। ক্রিয়ার কাল মূলত হচ্ছে আমরা ইংলিশে টেন্স পড়ে থাকি। টেন্স হিসেবে যেটা আমরা ইংলিশে সেটা বাংলায় ক্রিয়ার কাল হয়ে যায়।

এই ক্রিয়ার কাল নিয়ে আমাদের অনেক সমস্যা থাকে। আশা করি আজকের ক্লাসের মধ্যেই সে ক্রিয়ার কালের সকল বিষয় নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হবে।

ক্রিয়ার কাল কি?

ক্রিয়ার কাল মানে কাল সংঘটিত হয়। যে সময়ে সংঘটিত হয়, যদি আগে সংঘটিত হয় সেটাকে বলা হয়। আর তা যদি এখন সংগঠিত হয় তাহলে বর্তমান কাল। ক্রিয়া যদি পরে কোন একটা কাজ সংঘটিত করে হয়, তাহলে সে ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ। এই কথার ভিত্তিতে ক্রিয়ার কাল তিনটে ভাগ করা হয়েছে।

  • বর্তমান কাল
  • ভবিষ্যত কাল
  • অতিত কাল

এটা নিয়ে আমাদের খুব একটা সমস্যা না। আমাদের প্রবলেমটা হচ্ছে অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যৎ। যখন তাদের প্রকারগুলো বের করতে বলা হয়। তখন সেই প্রকার গুলো বের করতে আমাদের বিভিন্ন ঝামেলায় পড়তে হয়। আশাকরি আপনার সবগুলো আপনাদেরকে এটি বোঝানোর চেষ্টা করব। যে কোনটা কিভাবে আমরা খুব সহজে দেখার সাথে সাথেই করতে পারব।

তো চলুন আমরা বেশ কয়েকটি নিয়ম-শৃঙ্খলা, প্রথমত যেটা করবো সেটা প্রকাশ। এই প্রকার গুলো জেনে নিব। আমরা জানি অতীতকাল হচ্ছে মূলত চার প্রকার। দেখতে পাচ্ছি একটা হচ্ছে

  • সাধারণ অতীত কাল
  • নিত্যবৃত্ত অতীত কাল
  • ঘটমান অতীত কাল
  • পুরাঘটিত অতীত কাল

অধিবৃত্ত পরাবৃত্ত সব গুলোর জন্য কিন্তু বইয়ের মধ্যে এর সংজ্ঞা দেওয়া রয়েছে। আমরা সেগুলো ছেড়ে দিয়ে আমরা কিছু চেষ্টা করব। কেন কারণ আসলে আমরা দেখতে পাই, যখন আমরা ইংলিশে ক্রিয়ার কাল যখন পড়তে যায়। তখন সেখানে আমাদের ঘরটা দেখতে পাই। সেখানে অনেক সম্মান থাকতে এখনও সেই সকল সংজ্ঞা পড়ে হয়তো। বোঝা যায় বাংলাতে দেখা যায় সেই সকল সংখ্যাগুলো মানে যেগুলো দেওয়া থাকে।

সেই সময় গুলো প্রতিনিয়ত আমাদের কনফিউজড করে। আমরা এই প্রসঙ্গ বাদ দিয়ে চেষ্টা করব। যে চেনার উপায় দিয়ে কিভাবে খুব সহজেই নির্ণয় করা যায়। আর চেনার উপায় দিন রাত্রে আমার প্রথমেই যে পদ্ধতিতে মাথায় নিয়েছি। সেটা হচ্ছে তিন পুরুষ রয়েছে। তিন পুরুষ প্রথম, পুরুষ বলতে হচ্ছে উত্তম পুরুষ, মধ্যম পুরুষ।

  • উত্তম পুরুষ
  • মধ্যম পুরুষ
  • অন্য পুরুষ

এটাকে বলা হয়েছে তার প্রাণ। আমরা দেখতে পাচ্ছি সেটা হচ্ছে অন্য পুরুষ বনাম পুরুষ। আর তুমি এটা হচ্ছে মধ্যম পুরুষ। এটাকে বলা হয়ে থাকে যে আমি হচ্ছে উত্তম পুরুষ। এটাকে বলা হয়ে থাকে ফার্স্ট পারসন। আমরা পুরুষ মনে হতো নির্ণয় করার চেষ্টা করব। যাতে করে চেনার উপায় বের করতে সহজ হয়। এর পরের ধাপ এর কথাটা হচ্ছে আমরা।

যেমন চেনার উপায় বের করব, তার মধ্যে প্রথম দেখা করতে হবে। সেটা হচ্ছে যে কোন ধাতুর যে কোন ক্রিয়ার কাল নির্ণয় করতে শিখতে হবে। আমরা যেকোন প্রশ্ন করতে চাই তাহলে প্রথমে যে বিষয় মাথায় রাখতে হবে। কোন একটা ট্রেনিংয়ে করতে তুই বলে সম্বোধন করতে হয়। যদি আমরা দুনিয়া করতে চাই তাহলে সেই তুই আমাকে তুই বলে সম্বোধন করতে হবে।

আমি যদি বলি তুই বল। তাহলে এখানে হচ্ছে বল তুই খেয়াল করে ফেলব। এবার খেয়াল করতে হবে অতিরিক্ত কি হয়েছে। সেটা থাকবে সেটাই হচ্ছে আমার চেনার উপায়। অতিরিক্ত জেলা থাকবে সেটাই হচ্ছে আমার চেনার উপায়। আমরা দেখবেন যে খুব সহজেই বিষয়গুলো আমরা টের পেয়ে যাবো।

আরো পড়ুন: >>> বিসিএস পরিক্ষা প্রস্তুতি কারক সর্ম্পকে শিখুন

দেখছি হবে শুধুমাত্র পরের অংশ দেখে আমরা নির্ণয় করতে পারবো। বল অতিরিক্ত ছিল, অতিথি ছিলেন, অতিরিক্ত ছিলাম একটা কথা বলে থাকে। সেটা হচ্ছে কেন বলা যায় প্রকৃত যাব মনে রাখতে হবে। ঘটমান থেকে পুরাঘটিত যাওয়ার সময় যে বিষয়টা সবার আগে মাথায় রাখতে হবে। ঘটনার প্রকৃত পার্থক্য খুবই কম ঘটনার সাথে যোগাযোগ করে দেই।

তাহলে সভাপতি তো হয়ে যায় আমরা দেখতে পাচ্ছি। এখান থেকে এসেছিল আমি বলছিলাম সে বলছিলো। এরকম ছিল থাকে তাহলে ঘটমান। আজ সে বলেছিল, তাহলে শেখাতে কিভাবে তুমি বলেছিলে। এখানে আমি বলেছিলাম, ছিলাম এইজন্য আমি লিখেছিলাম অতিরিক্ত হয়ে যাচ্ছে। ঘটনার সাথে কি করতে হবে শুধুমাত্র হবে, তাহলেই হয়ে যাবে।

যাবে সম্বোধন করা হয় সে ক্ষেত্রে কি হবে। সে ক্ষেত্রে পরিবর্তন টা খুব সহজ। শুধুমাত্র লক করে দিলেই হবে। কারণ আমরা দেখতে পাই যখন কাউকে আমরা আপনি করে কথা বলি। তখন কিন্তু সেই ক্রিয়াপদে শেষে একটা অতিরিক্ত নয় যুক্ত হয়ে যায়। যে সে দেখল আর যদি বলেন, তিনি দেখলেন। একটা শেষে কোন অবধি যুক্ত হয়ে গেল।

এই অফারটা দিলে মাথা রাখে তাহলে কিন্তু বেশিক্ষণ একটা দন্তন্য যুক্ত হয়ে যায়। তখন সেটা আপনি বলে সম্বোধন হয়। যেটাকে বলা হয় সম্ভ্রমাত্মক। এটা হচ্ছে সাধারন তুমি আরেকটা পর্বসম্বোধন করা হয়। সে ক্ষেত্রে কি হবে, সে ক্ষেত্রে পরিবর্তন না খুব সহজ। শুধুমাত্র নাটক করে দিলেই হবে। কারণ আমরা দেখতে পাই, যখন কাউকে আমরা আপনি করে কথা বলি। তখন কিন্তু সেই ক্রিয়াপদে শেষে একটা অতিরিক্ত নয় যুক্ত হয়ে যায়।

যে সে দেখলো আর যদি বললাম তিনি দেখলেন। একটা শেষে কোন অবধি যুক্ত হয়ে গেল। এই অফারটা দিলে মাথা রাখে তাহলে কিন্তু বেশিক্ষণ একটা দন্তন্য যুক্ত হয়ে যায়। তখন সেটা আপনি বলে সম্বোধন হয়। যেটাকে বলা হয় সম্ভ্রমাত্মক, এটা হচ্ছে সাধারন তুমি। আরেকটা পর্ব এখন যদি আমরা সাধু ভাষায় রূপান্তরিত করতে যাই। তাহলে কি হবে সে ক্ষেত্রে খুব সহজ একটা উপায় রয়েছে।

সহযোগিতা দেখে ফেলি সেটা হচ্ছে রে আমরা এই যে চেনার উপায়। তার সাথে অতিরিক্ত কিছু একটা যোগ করে মত হচ্ছে। আমরা এগুলোকে চলিত থেকে সাধু তে রূপান্তরিত করব। একটু খেয়াল করে দেখুন এখানে আমরা একসাথে যদি শুধুমাত্র সুযোগ করে দেয়। তাহলে কেন সাদা হয়ে যাচ্ছে। এখানেও একই কথা যদি আমরা, এখানে হচ্ছে তাহলে কিন্তু খুব সহজেই সাদা হয়ে যাচ্ছে বলিলে।

আমি বলিলাম, আমি বলিতেছি, লে আমি বলিতেছিলাম। আবার এখানে আমি বলেছি, তুমি বলেছিলে, আমি বলেছিলাম, এইগুলো যুক্ত হয়। তাহলে কিন্তু খুব সহজে কিনে দিচ্ছে অতীতকাল হয়ে যাচ্ছে। বিষয়গুলো একটু দেখে নিই সেটা। 

যেটা মূলত প্রতিনিয়ত অতীতকালের নির্দিষ্ট সময় কালে সবসময় হত। বারবার হয়নি সে সময় তখন স্বরবৃত্তের নিয়মে করা হয়। যদি প্রতিদিন করা হয়, প্রতিদিন মালিক নিত্য করা হয়। বৃত্তের নিয়ে যদি প্রতিদিন কোন একটা কাজ করা হয় সেটাকে বলা হয় নিত্যবৃত্ত অতীত। এর মধ্যে ঘুরে ঘুরে সব সময় কাজটা করা হতো। ওই জন্য এটার নাম হয়ে গিয়েছে নিত্যবৃত্ত। খুব ভালো করে কিন্তু প্রবলেম হচ্ছে। নিত্যবৃত্ত পরীক্ষায় শুধুমাত্র আসেই না, মানে পরীক্ষা এটাও আসে।

এটা কোন অর্থ প্রকাশ পেয়েছে পরীক্ষায় আসলো। আজ যদি সুমন আসত, কেমন মজা হতো। এখন আপনার খেয়াল করে দেখুন। এখানে কিন্তু আসত বা মজা হতো, এগুলো থেকে কিন্তু উত্তর পেতাম। দেখিসনা বুঝতে পারছি না কি হবে, নিত্যবৃত্ত অতীত হবে। কিন্তু পরীক্ষায় এরকমটা আসবেনা। পরীক্ষা এরকম থাকতে পারে যে ইচ্ছা প্রকাশ হলে কি করবে।

আর যদি সুমন আসছে বলা হবে, আর যদি এই বাক্যটি নিত্যবৃত্ত অতীত প্রকাশ করে। তখন উত্তরটা হবে কামনা প্রকাশ্যে বা অপ্রকাশ্যে। এরপর আমরা যদি আকাশ হত যদি এটা দেখে ফেলেছে। সমস্যা হলো কিভাবে একসাথে সব সম্ভব না। এটা অসম্ভব কল্পনা, তাহলে আমাকে এটা উত্তর দিতে হবে। এটা মূলত কী অর্থ প্রকাশ করেছে। তুমি যদি যেতে তবে ভালই হতো, সম্ভাবনা ছিল।

এটাও কি সম্ভব না, কিভাবে একসাথে সব সম্ভব না। এটা অসম্ভব কল্পনা, তাহলে আমাকে এটা উত্তর দিতে হবে। এটা মূলত কী অর্থে প্রকাশ পেয়েছে। তুমি যদি যেতে তবে ভালই হতো, সম্ভাবনা ছিল। এই র্পবে আমরা মূলত অতীতকালের সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করেছি। আমরা পরবর্তীতে বর্তমানকাল এবং ভবিষ্যৎ কাল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব। আজকের মত এখানেই বিদায় নিচ্ছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.